দেবব্রত পাল বাপ্পী, লাকসাম
দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর “নিজস্ব প্রতিবেদক” সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তার মসজিদ মার্কেট এলাকায় গতকাল সন্ধ্যায় নৃশংস ভাবে হত্যা করার মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে “জাতীয় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন” এর সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সত্য ও সাহসী নির্ভীক সাংবাদিকতার পথযাত্রী এবং নীতিতে অটল থেকে তিনি দেশের অপরাধী চাঁদাবাজদের মুখোশ উন্মোচন করতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করলেন, তা আমাদের গণমাধ্যমের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর প্রতি সন্ত্রাসীদের নৃশংস নির্মমতা কেবল একজন সাংবাদিককেই হত্যা নয়, বরং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো প্রতিটি কলম যোদ্ধাকে স্তব্ধ করার চেষ্টা। আসাদুজ্জামান তুহিন ছিলেন একজন সাহসী নিষ্ঠাবান কর্মঠ এবং সমাজের অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার কলমযোদ্ধা। তাঁর সাহসী পেশাদারিত্ব, সততা ও দায়িত্ববোধ আমাদের গণমাধ্যমের সকলের জন্য অনুকরণীয় অবিস্বরণীয় হয়ে থাকবে। জাতীয় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে গতকাল রবিবার বিকেলে লাকসাম রেলওয়ে জংশন চত্বরে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাংবাদিক সমাজের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন মাসুদ আজিম, জাহাঙ্গীর আলম, মুশিউর রহমান সেলিম, আমিনুল ইসলাম বাবুল, দেবব্রত পাল বাপ্পী, শাহ নুর আলম, মোঃ মানিক, খোরশেদ আলম, আফরাতুল করিম রিমু, মামুন আলম (রিপন), মোঃ সবুজ, মোঃ শহীদ উল্লাহ, শফিকুল ইসলাম রিপন, মোঃ সান্ত, নাজমুল হাসান, জয়নাল আবদিন জয়, খান মোহাম্মদ রুবেল, মোস্তফা কামাল মজুমদার, আহসান উল্লাহ রাজু, সালামত উল্লাহ, আজাহারুল ইসলাম সহ আরো অন্যান্য প্রমুখ
সেই সাথে আমরা জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছি এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। যেন এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা কোন সংবাদকর্মী কলম সৈনিকের জীবনে না ঘটে। সেই সাথে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের বিদায়ী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করে সেই কামনাই করছি – আমিন।

