দেবব্রত পাল বাপ্পী
‘‘ স্মৃতির মিনারে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে ’’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার লাকসামে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ. মালেক ইনষ্টিটিটিউশন (রেলওয়ে হাইস্কুল) এস.এস.সি-১৯৮৩ ব্যাচের উদ্যোগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ১ম পূনর্মিলনী- ২০২৬ জাঁকজমকপূর্ন ভাবে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লাকসাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, লাকসাম পৌরসভা সাবেক মেয়র ও লাকসাম পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আলহাজ¦ মজির আহমেদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন লাকসাম জংশন বাজার সমিতির সভাপতি আলহাজ¦ মোস্তফা, পৌরসভা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর মিল্টন, বিএনপি নেতা ইঞ্জিঃ সোলাইমান, এ. মালেক ইনষ্টিটিটিউশন (রেলওয়ে হাইস্কুল) এস.এস.সি-১৯৮৩ ব্যাচের উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে প্রফেসর শাহীন, মাষ্টার মাহবুব, লাকসাম উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মোঃ নিজাম, মোঃ জহিরুল ইসলাম, সুব্রত পাল (আমেরিকা প্রবাসী), হুমায়ুন কবির (আমেরিকা প্রবাসী), পংকজ মজুমদার, মোঃ ওয়াদুদ, মোঃ আজাদ, মোঃ আলমগীর, মোঃ আনোয়ার সহ ১৯৮৩ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সন্মুখ গেইটে, নীচে লাল গালিচা কারর্পেট ও এসএসসি ১৯৮৩ ব্যাচের ব্যানার, সুন্দর ভাবে সাজানো ফুলের গেইট, গেইটে বেলুন দিয়ে সাজানো এবং ১৯৮৩ ব্যাচের প্রত্যেকের নাম সংবলিত ব্যানার। বিদ্যালয়ের হল অনুষ্ঠিত পূর্নমিলনীতে একে অপরকে দেখে জড়িয়ে ধরিয়ে আলিঙ্গণ করতে দেখা যায়। শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ বক্তব্য রাখেন। পরে ১৯৮৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রত্যেককে তাদের মনের আবেগ করতে দেখা গেছে। মঞ্চে তাদের প্রত্যেকের আবেগ অনভুতি প্রকাশ করে। প্রফেসর শাহীন খোলাকণ্ঠে গান গেয়ে শুনান, সকালে প্রত্যেককে নাস্তা এবং দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন করা হয়। বিকেলে র্যাফল ড্র অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়। পরিশেষে ১৯৮৩ ব্যাচের প্রত্যোক ক্রেষ্ট, টি শাট, ক্যালেন্ডার ইত্যাদি দেয়া হয়। বক্তারা বলেন প্রতি বছর যেন আমরা এ ভাবে পূর্নমিলনী অনুষ্ঠান করতে পারি সকলের সহযোগিতা চাই।
মোঃ হুমায়ুন (আমেরিকা প্রবাসী) তার বক্তব্যে বলেন, আমরা এ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠানটি র্দীঘ ৬ মাস পর অনুষ্ঠান করতে পেরে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। সকলের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান সুষ্ঠ্য ও সুন্দর ভাবে আয়োজন করতে পেরেছি। এস.এস.সি ১৯৮৩ ব্যাচের আমার পক্ষ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
মিনরা বেগম (কানাডা প্রবাসী) তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, আমার ব্যাক্তিগত কাজ বাদ দিয়ে অনুষ্ঠানে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। সকলের সাথে দেখা হয়ে খুবই ভাল লাগছে।

