টিকেট কালোবাজারির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশনের যাত্রীরা ক্ষিপ্ত হয়ে স্টেশনে হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় স্টেশন মাষ্টারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে জনগণ।
শনিবার (১লা জুন) দুপুরের দিকে কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশনে এই ঘটনা ঘটে।
এর আগে, ঈদযাত্রার শুরুর দিনে শুক্রবার (৩১ মে) কমলাপুল রেলস্টেশন পরিদর্শনে এসে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় দেখতে পেয়েছিলেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তখন তিনি বলেছিলেন শনিবার থেকে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শনিবার শিডিউল বিপর্যয় আরো বেড়েছে। এতে ঘরমুখো যাত্রীরা পড়েছেন বিপদে। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ক্রমে বাড়ছে অপেক্ষা।
রংপুর এক্সপ্রেসের এক্সট্রা-২ এর টিকিট কেটেছেন এক যাত্রী, কিন্তু বিধি বাম, সেই বগিই নেই। এখন কীভাবে তিনি বাড়ি পৌঁছাবেন, সেটি নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন। দেখা গেছে তিন বগির এমন অনেক যাত্রী ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছার কথা থাকলেও সেটি দুই ঘন্টা পরেও আসেনি। কখন কমলাপুর থেকে ছাড়বে সেটা বলা এখনও মুশকিল। একইভাবে রংপুর এক্সপ্রেস সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছার কথা, কিন্তু সেটি বর্তমানে ঢাকায় আছে বলে ডিসপ্লেতে দেখা যাচ্ছে।
পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছার কথা থাকলেও ডিসপ্লেতে দেখানো হচ্ছে, সেটি ঢাকায় আছে, তবে কখন কমলাপুর ছাড়বে, সেটার হদিস নেই। এছাড়া রংপুর এক্সপ্রেসের ঢ এবং এক্সট্রা-২ সহ তিনটি বগির টিকিট বিক্রি করা হলেও সেসব বগি নেই বলে স্টেশনের মাইকে ঘোষণা দেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের বলা হচ্ছে, টিকিট ফেরত দিয়ে টাকা নেয়ার জন্য। এ জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

