মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

পোস্ট এর সময় : ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ , ভিজিটর : ১০

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মারা যাওয়ার প্রায় চার মাস পর এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মৃত ব্যক্তির নাম মো. আবুল হোসেন হাওলাদার (৫৫)। তিনি ২০১৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর মারা যান। ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন খাঁন গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর আবুল হোসেন ও তার ছোট ভাই কালিশুরী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক মো. খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা একটি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যৌতুক চাওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলার গোসিংগা গ্রামের মো. জসিম মৃধার সঙ্গে তার স্ত্রী ফরিদা বেগমের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় ২০১৬ সালের ২৩ জুন ফরিদা তার স্বামী জসিম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলার পর থেকে ফরিদা তার ভাই আবুল হোসেন ও খলিলুর রহমানের বাড়িতে থাকেন। জসিম মৃধা পরে তার স্ত্রী ফরিদার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর পটুয়াখালীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে স্ত্রী ফরিদার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেন জসিম মৃধা।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামিদের কাছে জসিম আট লাখ টাকা পাবেন। আদালত মামলাটি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বাউফল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন খানকে নির্দেশ দেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন তার তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর তিনি সরেজমিনে মামলাটির তদন্ত করেন এবং মামলার সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন মামলার আরজির ঘটনা সত্য।

এই মামলার ১ নম্বর সাক্ষী মো. রিয়াজ মৃধা বলেন, মামলা ও মামলার ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। আমার সঙ্গে চেয়ারম্যান মো. জসিম কোনো কথা বলেননি।

মৃত আবুল হোসেনের ছোট ভাই মো. খলিলুর রহমান বলেন, একটি মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কোনো ধরনের সরেজমিন তদন্ত ছাড়াই আমার ও আমার মৃত ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিয়েছেন চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন খান। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার চাই।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন খান বলেন, মামলার বাদী আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং বিবাদীরা আমার পার্শ্ববর্তী মদনপুরা ইউনিয়নের বাসিন্দা। কিন্তু আসামি মো. আবুল হোসেন মারা গেছেন এই বিষয়টি আমাকে জানায়নি কেউ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *