বিশ্বকাপে একটি মাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেল বাংলাদেশ। সেটিতেও ভালো করতে পারল না। টাইগারদের বোলিং আক্রমণকে দুমড়ে মুচড়ে ৭ উইকেটে ৩৫৯ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ভারত। বাংলাদেশ সেটা তাড়া করতে না পেরে হারে ৯৫ রানে।
প্রস্তুতি ম্যাচের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে বাংলাদেশের বোলিং নিয়ে। এই দুর্বল বোলিং নিয়ে বড় দলগুলোকে আটকে রাখা সম্ভব হবে? এমন শঙ্কাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভক্তদের মনে।
তবে বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। বাংলাদেশ এই ম্যাচে কিছুটা পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছে। পেসাররা ভালো বল করেছেন, কিন্তু তাদের পুরো ওভারের কোটা পূরণ করা হয়নি। স্পিনারদের দিয়েই বেশিরভাগ ওভার করানো হয়েছে। মেহেদী হাসান মিরাজ, মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে মার খেয়েছেন দলের অভিজ্ঞ স্পিনার সাকিব আল হাসানও।
মাশরাফি মনে করছেন, আসল সময়ে ঠিকই জ্বলে উঠবেন সাকিব। আর স্পিনারদের দিয়ে বেশি বল করানোর ব্যাখ্যাও দিলেন টাইগার দলপতি, ‘সাকিবের খারাপ একটা দিন গেছে। তবে দারুণভাবে ফিরে আসার মতো অভিজ্ঞতা তার আছে। আমার মনে হয়, সে বিশ্বকাপে বড় কিছুই করবে। মিরাজও সাম্প্রতিক সময়ে ভালো বোলিং করেছে। এই ম্যাচে আমরা স্পিনারদের কঠিন সময়ে বল করতে দিয়েছি, যাতে টুর্নামেন্টে তারা বড় হিটারদের ঝড় সামলে উঠার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তত থাকে।’
তবে ব্যাটিং নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েই গেছে বাংলাদেশ দলপতির। ভারতের বিপক্ষে মুশফিকুর রহীমের ৯০ আর লিটন দাসের ৭৩ রান ছাড়া বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি কেউ।
মাশরাফি মনে করছেন, সেট ব্যাটসম্যানদের ইনিংস বড় করার মানসিকতা নিয়ে খেলতে হবে। ব্যাটিং নিয়ে তার অভিমত, ‘মুশফিক ধারাবাহিকই আছে, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। লিটন তার দায়িত্ব পালন করছে। যদি তারা দুজনই সেঞ্চুরি করতে পারতো, তবে ভালো হতো। যদি রিয়াদ আরেকটু সময় থাকতে পারতো, তবে আমরা ৩০০-তে পৌঁছতে পারতাম। আমার মনে হয়, প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের হাই কোয়ালিটি অ্যাটাকের বিরুদ্ধে খেলাটা ভালোই হয়েছে। তবে জোড়ায় জোড়ায় উইকেট হারানো চলবে না। যদি এমন হয় তবে ৩৫০ তাড়া করা খুবই কঠিন হবে।’

