তারেক রহমান কীভাবে বিদায় নেবেন, সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে হবে: নাহিদ

পোস্ট এর সময় : ৯:৪৯ অপরাহ্ণ , ভিজিটর : ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কীভাবে ক্ষমতা ছাড়বেন, সেই সিদ্ধান্ত তাঁকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেছেন, ক্ষমতা ছাড়ার ক্ষেত্রে তারেক রহমানের সামনে পদত্যাগের পথও রয়েছে, আবার অন্য পরিণতির আশঙ্কাও রয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে, তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন। তিনি কি হেলিকপ্টারে করে দেশ থেকে পালিয়ে যাবেন, নাকি সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করবেন।’

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতা পরিবর্তনের বিভিন্ন নজির রয়েছে। নব্বইয়ের গণআন্দোলনের পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের পদত্যাগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগও করেন এনসিপির এই নেতা। তাঁর ভাষ্য, যারা অতীতে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, শেষ পর্যন্ত তাদের জায়গা হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে।

লংমার্চ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের কর্মসূচিকে ঘিরে জনসমাগম বাড়ায় ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের লোকজনও এতে যুক্ত বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে এই লংমার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না। দফা বাড়ছে, কিন্তু আমরা জানি সব দফা কোথায় এসে ঠেকবে—এক দফায়। সেটার জন্য প্রস্তুত হন।’

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও সার সংকটের অবসানসহ আট দফা দাবিতে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ করছে ১১ দলীয় ঐক্য।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচি পালন করেছিল জোটটি। ১১ দলের এসব কর্মসূচির সমালোচনা করে আসছেন বিএনপির নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারকে সহযোগিতা না করে বিরোধী জোটের কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *